ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলার রমজানের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৫
ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলার রমজানের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৫ সম্পর্কে আপনি জানতে চাচ্ছেন। তাহলে অনলাইনে আর বেশি খোঁজাখুঁজি না করে আমার এই পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটু সময় নিয়ে দেখবেন। আশাকরি আপনার জানার ইচ্ছাটা পূরণ হয়ে যাবে।
এই পোস্টে আমি চেষ্টা করেছি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার রমজান মাসের প্রত্যেকটি দিনের সেহরি ও ইফতারের সময় জানানোর। এখানে উল্লেখিত সময়গুলো ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাভিত্তিক দেওয়া হয়েছে, যা আপনার জেলায় সেহরি ও ইফতার করার ক্ষেত্রে কাজে লাগবে।
এই পোস্টে যা যা থাকছেঃ ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলার রমজানের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৫
- ময়মনসিংহ জেলার রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
- জামালপুর জেলার রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
- শেরপুর জেলার রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
- নেত্রকোনা জেলার রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
- ময়মনসিংহ বিভাগের সকল জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
- ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলার রমজান মাসের তাৎপর্য
- ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলার পরিচিতি
- ময়মনসিংহ বিভাগে রমজান মাসের সেহরি খাওয়ার গুরুত্ব
- ময়মনসিংহ বিভাগে রমজান মাসের ইফতার করার গুরুত্ব
- ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলার রমজানের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৫ সম্পর্কে লেখকের মন্তব্য।
ময়মনসিংহ জেলার রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
ময়মনসিংহ জেলার রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি সম্পর্কে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে যদি আপনি রমজান মাসে রোজা অবস্থায় সেই জেলাতে অবস্থান করেন। অন্যান্য জেলার মত এই জেলাতেও মানুষেরা সেহরিতে ভাত, ডাল, মাছ, মাংস ও শাক-সবজি খেয়ে থাকেন, তবে অনেকে দুধ-চিড়া, রুটি-সবজি ও খেজুরের মত হালকা খাবার পছন্দ করেন।
ইফতারে ময়মনসিংহ জেলার মানুষেরা অন্য জেলার মত খেজুর, শরবত, মুড়ি, ছোলা, বিভিন্ন ধরনের ভাজাপোঁড়া ও ফলমূল খেয়ে থাকেন, তবে ময়মনসিংহ বিশেষ খাবারের মধ্যে মুক্তাগাছার মন্ডা, বাসা তৈরী হালিম, ও ইফতারের পরে গরম খিচুড়ি, মাংস ও পরোটা খুব জনপ্রিয়। এই জেলার সেহরির শেষ সময় ঢাকা সময় থেকে ১ মিনিট আগে এবং ইফতারের সময় শুরু হয় ঢাকা সময়ের সাথে। এখন আসুন জেনে নেওয়া যাক, ময়মনসিংহ জেলাতে অবস্থানকালে আপনার সেহরি ও ইফতার সময়সূচি কিরকম হবে তা সম্পর্কে-
জামালপুর জেলার রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
জামালপুর জেলার রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি সম্পর্কে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে যদি আপনি রমজান মাসে রোজা অবস্থায় সেই জেলাতে অবস্থান করেন। অন্যান্য জেলার মত জামালপুরের মানুষেরাও সেহরিতে সাধারণত ভাত, ডাল, মাছ, মাংস, শাকসবজি ইত্যাদি খেয়ে থাকেন। এছাড়াও এখানকার মানুষের কাছে দেশী হাঁসের তরকারি, শুটকি ভর্তা, কলা ও লাল আটার রুটি খুব জনপ্রিয়।
ইফতারে জামালপুর জেলার মানুষেরা অন্য জেলার মত খেজুর, শরবত, মুড়ি, ছোলা, বিভিন্ন ধরনের ভাজাপোঁড়া, জিলাপি ইত্যাদি খেয়ে থাকেন, তবে জামালপুরের বিশেষ খাবারের মধ্যে মিষ্টি ও টক-মিষ্টি দই, চমচম, রসমালাই, ইফতারের পর রাতের খাবার হিসেবে শাহী হালিম ও খাসির মাংস দিয়ে খিচুড়ি খুব জনপ্রিয়। জামালপুর জেলার সেহরির শেষ সময় ঢাকা সময় থেকে ১ মিনিট পরে এবং ইফতারের সময় শুরু হয় ঢাকা সময় থেকে ২ মিনিট পরে। এখন আসুন জেনে নেওয়া যাক, জামালপুর জেলাতে অবস্থানকালে আপনার সেহরি ও ইফতার সময়সূচি কিরকম হবে তা সম্পর্কে-
শেরপুর জেলার রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
শেরপুর জেলার রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি সম্পর্কে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে যদি আপনি রমজান মাসে রোজা অবস্থায় সেই জেলাতে অবস্থান করেন। অন্যান্য জেলার মত শেরপুরের মানুষেরাও সেহরিতে সাধারণত ভাত, ডাল, মাছ, মাংস, শাকসবজি ইত্যাদি খেয়ে থাকেন। এছাড়াও এখানকার মানুষের কাছে গরুর মাংস ভুনা ও নিরামিষ তরকারি খুব জনপ্রিয় খাবার।
ইফতারে শেরপুর জেলার মানুষেরা অন্য জেলার মত খেজুর, শরবত, মুড়ি, ছোলা, বিভিন্ন ধরনের ভাজাপোঁড়া, জিলাপি ইত্যাদি খেয়ে থাকেন, তবে শেরপুরের বিশেষ খাবারের মধ্যে মিষ্টি ও টক-মিষ্টি দই, ইফতারের পর রাতের খাবার হিসেবে শাহী হালিম ও খাসির মাংস দিয়ে খিচুড়ি খুব জনপ্রিয়। শেরপুর জেলার সেহরির শেষ সময় ঢাকা সময় থেকে ১ মিনিট পরে এবং ইফতারের সময় শুরু হয় ঢাকা সময় থেকে ২ মিনিট পরে। এখন আসুন জেনে নেওয়া যাক, শেরপুর জেলাতে অবস্থানকালে আপনার সেহরি ও ইফতার সময়সূচি কিরকম হবে তা সম্পর্কে-
নেত্রকোনা জেলার রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
নেত্রকোনা জেলার রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি সম্পর্কে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে যদি আপনি রমজান মাসে রোজা অবস্থায় সেই জেলাতে অবস্থান করেন। অন্যান্য জেলার মত শেরপুরের মানুষেরাও সেহরিতে সাধারণত ভাত, ডাল, মাছ, মাংস, শাকসবজি ইত্যাদি খেয়ে থাকেন। এছাড়াও এখানকার মানুষের কাছে দেশী হাঁস-মুরগীর মাংস, শুটকি মাছের ভর্তা খুব জনপ্রিয় খাবার।
তবে হাওর অঞ্চল হওয়ায় এখানে সেহরিতে ছোট মাছের তরকারি বা ভর্তা সবার কাছে খুব পছন্দনীয় ও সহজলভ্য একটি খাবার। ইফতারে নেত্রকোনা জেলার মানুষেরা অন্য জেলার মত খেজুর, শরবত, মুড়ি, ছোলা, বিভিন্ন ধরনের ভাজাপোঁড়া, জিলাপি ইত্যাদি খেয়ে থাকেন। তবে নেত্রকোনার বিশেষ খাবারের মধ্যে হাওর অঞ্চলের মাছ ভাজি ও শুটকি ভর্তা, স্থানীয় দই ও ছানার মিষ্টি, ইফতারের পর রাতের খাবার হিসেবে শাহী হালিম ও গরুর মাংস দিয়ে খিচুড়ি খুব জনপ্রিয়।
নেত্রকোনা জেলার সেহরির শেষ সময় ঢাকা সময় থেকে ৩ মিনিট আগে এবং ইফতারের সময় শুরু হয় ঢাকা সময় থেকে ১ মিনিট আগে। এখন আসুন জেনে নেওয়া যাক, নেত্রকোনা জেলাতে অবস্থানকালে আপনার সেহরি ও ইফতার সময়সূচি কিরকম হবে তা সম্পর্কে-
ময়মনসিংহ বিভাগের সকল জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
ময়মনসিংহ বিভাগের সকল জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে যদি আপনি রমজান মাসে ময়মনসিংহ বিভাগে অবস্থান করেন। যেহেতু এই মাসটি রোজা রাখার মাস সেহেতু আপনার রোজা রাখা এবং ইফতার করার ক্ষেত্রে যেখানে অবস্থান করছেন সেখানকার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে। আসুন ময়মনসিংহ বিভাগের সকল জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি সম্পর্কে জেনে নেই-
ক্রমিক নং | জেলা | সেহরির সময় | ইফতারের সময় |
---|---|---|---|
১ | ময়মনসিংহ | ঢাকার সময় - ১ মিঃ | ঢাকার সাথে |
২ | জামালপুর | ঢাকার সময় + ১ মিঃ | ঢাকার সময় + ২ মিঃ |
৩ | শেরপুর | ঢাকার সময় + ১ মিঃ | ঢাকার সময় + ২ মিঃ |
৪ | নেত্রকোনা | ঢাকার সময় - ৩ মিঃ | ঢাকার সময় - ১ মিঃ |
ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলার রমজান মাসের তাৎপর্য
ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলার রমজান মাসের তাৎপর্য সম্পর্কে প্রত্যেক মুসলমানকে জানা আবশ্যক।রোজা মুসলমানদের জন্য এমন একটি আমল যেখানে লোকদেখানো কোন কিছু থাকে না। এটি বান্দা ও আল্লাহর মধ্যকার অতি গোপন একটি বিষয়। ফলে রোজা রাখার মাধ্যমে আপনার এখলাস, আন্তরিকতা এবং আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম।
এজন্যই আল্লাহ তাআলা কোরআনে বলেন, “বান্দা রোজা যেহেতু শুধুই আমার জন্য
রেখেছে, সেহেতু রোজার প্রতিদান আমি নিজ হাতে বান্দাকে দিব”। রমজান মাসে রোজা যে
শুধু পানাহার এবং সহবাস থেকে বিরত থাকা তা নয়, আপনাকে অন্যান্য
সকল কর্মকান্ডে সংযমের পরিচয় দিতে হবে। পাপাচার, মিথ্যা ও অন্যান্য হারাম
বিষয়কে পরিহার করতে হবে। এই মাসে আরও তাৎপর্য রয়েছে আসুন এখন সেগুলো সম্পর্কে
জেনে নেওয়া যাক-
- এই মাসেই মুসলমানদের সর্বোচ্চ কিতাব কোরআন শরীফ নাযিল হয়েছে।
- রমজান মাসের ৩০ দিনকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ১০দিন রহমত, দ্বিতীয় ১০দিন মাগফিরাত এবং তৃতীয় ১০দিন নাজাত।
- রমজান মাসে রোজা সর্বোত্তম ইবাদত, যার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার নিকটবর্তী হওয়া সম্ভব।
-
আল্লাহ তাআলা রমজান মাসের রোজার মাধ্যমে বান্দার সকল পাপসমূহকে মাফ করে দেন।
-
রমজান মাসে প্রতিদিন ইফতারের ঠিক পূর্ব মুহূর্তের সময়টি একটি বিশেষ সময়, যখন
রোজদাররা আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করলে সেই প্রার্থনা সরাসরি কবুল
করবেন।
-
এই মাসটি বিশেষ সোয়াব এবং নেকি নিয়ে নেওয়ার একটি মাস। এই মাসে ১টি ফরজ
আদায় করলে ৭০টি ফরজ আদায় করার মতো সোয়াব পাওয়া যায় এবং ১টি নফল আদায় করলে
১টি ফরজ আদায় করার সমান সোয়াব পাওয়া যায়। এছাড়াও এই মাসে পবিত্র শবে-কদরের
একটি রাত্রি রয়েছে, যে রাত্রে আপনি ইবাদত করলে ১০০০ মাসের ইবাদতের চেয়েও বেশি
সোয়াব অর্জন করতে পারেবেন।
-
এই মাসে আল্লাহ তাআলা জান্নাতের সকল দরজা খুলে দেন এবং জাহান্নামের সকল দরজা
বন্ধ করে দেন।
- এই মাসে তিনি বড় শয়তান এবং খারাপ জ্বীনদের বন্দি করে রাখেন, যেন তারা তার বান্দাদের ধোকা দিয়ে বিপথে নিয়ে যেতে না পারে।
ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলার পরিচিতি
ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলার পরিচিতি সম্পর্কে প্রথমেই বলতে হয় এই বিভাগটি বাংলাদেশের উত্তর মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত, যা কৃষি, নদ-নদী, পাহাড়, বনভূমি ও মধুপুর গড়ের জন্য বিখ্যাত। ময়মনসিংহ বিভাগের উত্তরে ভারতের মেঘালয় রাজ্য, দক্ষিণে ঢাকা বিভাগ, পূর্বে সিলেট বিভাগ এবং পশ্চিমে রংপুর বিভাগ অবস্থিত। এই বিভাগটি মূলত ৪টি জেলা নিয়ে গঠিত।
বিভাগের মধ্যে ময়মনসিংহ জেলা বিভাগের প্রধান জেলা, যেখানে কৃষি গবেষণার জন্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গারো পাহাড় অবস্থিত। জামালপুর জেলাটি ব্রহ্মপুত্র নদীবাহিত একটি কৃষিপ্রধান এলাকা, যেখানে তামাক চাষ, বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ এবং তাঁত শিল্পের বেশ পরিচিতি রয়েছে।
শেরপুর জেলাটি ভারতের সীমান্তবর্তী এবং গাড় পাহাড়বেষ্টিত সীমান্তবর্তী বনাঞ্চলের জন্য বিখ্যাত। শেরপুরের ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী ও শ্রীবরদী উপজেলাগুলো পাহাড়ঘেঁষা এবং এখানে গাড়, হাজংসহ বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠী বসবাস করে। নেত্রকোনা জেলাটি হাওর ও নদীবাহিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষি অঞ্চল, যেখানে বিরিশিরি, সোমেশ্বরী নদী, বিজয়পুর চুনাপাথরের পাহাড় ও আদিবাসী সংস্কৃতির বিভিন্ন পরিচয় বহন করে।
ময়মনসিংহ বিভাগের রমজান মাসের সেহরি খাওয়ার গুরুত্ব
ময়মনসিংহ বিভাগের রমজান মাসের সেহরি খাওয়ার গুরুত্ব অনেক রয়েছে। সেহরি মানেই রাতে শেষভাগে পরের দিন রোজা রাখার উদ্দেশ্যে খাওয়া। সাধারণত প্রত্যেক মুসলমানকে দেরি করে অর্থাৎ ঠিক সুবহে সাদিকের পূর্বে সেহরি খাওয়া সুন্নত। আমাদের নবী রাসূল (সাঃ) সাধারণত দেরি করে সেহরি করতেন। এর পিছনে দুইটি কারণ রয়েছে।
প্রথমটি হচ্ছে রোজা রাখতে সহজ হয়, দ্বিতীয়টি হচ্ছে একই সাথে সেহরি খাওয়ার সাথে সাথে আপনি ফজরের নামাজ আদায় করতে পারবেন। যদি আপনি ফজরের ওয়াক্তের অনেক আগে সেহরি করে থাকেন তাহলে আপনাকে নামাজ আদায়ের জন্য অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। আপনি যদি সতর্কতা অবলম্বন করে অনেক আগে সেহরি করে নেন তাহলে আপনার জন্যই রোজা রাখা কষ্টকর হয়ে যাবে।
ময়মনসিংহ বিভাগের রমজান মাসের ইফতার করার গুরুত্ব
ময়মনসিংহ বিভাগের রমজান মাসের ইফতার করার গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও স্বাস্থ্যসম্মত কাজ। আপনি সারাদিন রোজা রাখার ফলে শরীর ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে, তাই সময় মত ইফতার করা শরীরের জন্য খুবই উপকারী এবং গুরুত্বপূর্ণ। হাদিস আছে, “মানুষ তখন পর্যন্ত কল্যাণের মধ্যে থাকবে, যতক্ষণ তারা ইফতারে তাড়াহুড়া করবে।” ইফতার শুধু যে আপনার শরীরের সুস্থতা এনে দিবে তা নয়, আপনার মনের শান্তিও এনে দিবে।
রোজা রাখার মাধ্যমে যেমন আপনি ধৈর্য এবং সংযমের শিক্ষা গ্রহণ করবেন, তেমন ইফতার সেই ধৈর্যের ফলস্বরূপ একটি আনন্দঘন মুহূর্ত হিসেবে আপনার সামনে হাজির হবে। এছাড়াও ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের দোয়া কবুল করেন এবং মাফ করেন। সেজন্য আপনিও ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন। আল্লাহতায়ালার কাছে ইফতারের পূর্বের সময়টা খুবই পছন্দের নিয়ে একটি সময়। সে সময় আল্লাহ তার রোজাদার বান্দাদের প্রার্থনাকে কখনোই ফিরিয়ে দেন না।
ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলার রমজানের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৫ সম্পর্কে লেখকের মন্তব্য
ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলার রমজানের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৫ সম্পর্কে আমি একটি কথাই বলতে চাই, এই বিভাগের জেলাগুলার মধ্যে সময়ের পার্থক্য খুব বেশি চোখে পড়ে না। তাই আপনারা যখন রোজা রাখবেন তখন সেই জেলার ইসলামিক ফাউন্ডেশন করতে অনুমোদিত সেহরি ও ইফতার সময়সূচি মেনে সেহরি ও ইফতার করবেন।
বাংলাদেশের সকলে যেহেতু ইসলামী ফাউন্ডেশনের বেদে দেওয়া সময়সূচি অনুযায়ী সেহরি ও ইফতার করে থাকে সেজন্য আপনিও সেই সময় অনুযায়ী সেহরি ও ইফতার করবেন। এই পোস্টে আমি চেষ্টা করেছি ইসলামী ফাউন্ডেশন কর্তৃক অনুমোদিত সময়সূচি অনুযায়ী ময়মনসিংহ বিভাগের সকল জেলার সেহরি ও ইফতার সময়সূচি তৈরি করার।
আশা করি আপনারা আমার এই পোস্টটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সময় নিয়ে পড়েছেন এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক অনুমোদিত সময়সূচি মেনে সেহরি ও ইফতার করছেন। আমার এই পোস্টটি আপনাদের যদি কাজে লাগে তাহলে আমি মনে করব আমার পোস্ট লেখা স্বার্থক। আজ এই পর্যন্তই, ভবিষ্যতে এই পোস্টের কোন আপডেট অথবা নতুন কোন পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হব।
সে পর্যন্ত সবাই সুস্থ থাকবেন, ভালো থাকবেন। সঠিক সময়সূচি মেনে সেহরি ও ইফতার করবেন। ধন্যবাদ সবাইকে.......
অজানা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url